সংস্কার যখন শ্রবনে আসে; কুসংস্কার তখন নজরে ভাসে।।
রইলো অনেকদিনের পাতা বন্দী একটি লেখনী ; দেববাদ, ধর্ম, আধ্ম্যাতিকতা, পৌ ত্তুলিকতা আর কত কি শোনা যায় এখানে পুজা অর্চনা নিয়ে একটু সুর তুললেই। তাই ওই তুষের আগুন জ্বালানোর চাইতে মুখে কুলুপ এঁটে কাগজে লিখে সবাইকে দেখাও যে ; আমার দরজায় খিল দিয়েছে তোমার দারুন জ্বর।। মানে কোনটা ধরবো আর কি ছাড়বো ; দাড়ানো বা বসা মূর্তি , মৃয়মান সেই মুখ, ভয়ের জেরে চিত্তের পক্ষে করজোর.. ভক্তি অপেক্ষা মাথা নত অধিকতর কার্যকর!! আইনের শাসন নয় বিরল, তার নয় চোখে কাপড়.. তাই সে * *অন্ধ্যা কানুন * * কিন্তু আজ একটা মন্দিরে যখন সতীত্ব নাশ করা হয় তখন সে সমাজের কাছে অসতী; তাহলে কি ভগবান ও চোখে কিছু বেধেছে??... এবার আমি হচ্ছি একটু অপকর্মের দায়ভার গ্রহণকারী!!.. আমি নাস্তিক আস্তিক কে ছাড়িয়ে দু পদ উঁচুতে অবস্থিত; হ্যাঁ আমি বকধার্মিক!! কারণ ধর্ম ব্যাবসা হলে আমি কেন বকধার্মিক হতে পারিনা!!!.. এবার বিশ্বাসে সবই মিলিয়ে যায় ; আর তর্কে বহুদূর গড়িয়ে ইতি থেকে ইত্যাদি আর আসতে দেয়না!!.. কিন্তু আমিও যেকোন বার,দিন, গ্রহ,নক্ষত্র, স্থান, কাল, মুহূর্তে মানতে রাজি এই মহাবিশ্ব একটা অতিপ্রাকৃত শক্তিদ্বারা সৃষ্ট!!.. হ্যাঁ স...