Posts

Showing posts from 2018

বিরহ

     একান্ত আপন মনে চিন্তায় যে পরে আমি  নিরবে শান্ত স্বরে আকাশ পানে পথটি চেয়ে অপেক্ষার কবে ঘটবে অবসান আসবে কবে তোমার সংকেত চিঠি বিরহ সাগরে ডুবছে যে মন, সুখের কোনো নাইকো দেখা মিলন হবে তার সনে,   প্রিয়তমা আসবে ফিরে সুখের প্রভাত উদয় হবে বিরহ ডুববে অতল অন্ধকারে।                       _ সৌভিক ঘোষ

মনের সঙ্গী

               কত কাহিনী বহনকারী             আমার হৃদয়ের যত্ন ধারি,           তুলে নিয়েছে আপনার কোলে,        স্বপনভেলায় ভেসেছে জগৎ ভুলে।         দুঃখের সময়      আঁকড়ে ধরে,              অশ্রুবারি দেয় মুছায়ে।            ভুলভ্রান্তি     নিমেষে মেটায়ে          ব্যাথা-বেদনায় ভাগ বসায়ে, তোমার দায়িত্ব নেব কাঁধে, থাকব তোমার সনে, যেমন আছি তেমনি রয়ে যাব মননে মননে।।

কর্ম ভাগ্যকে হার মানিয়েছে।।

বহুত হাতরে দেখতে পেল অসিত ভয় টা ফলে গেল ; ব্যাক পেয়ছে।। মুখের নিঃশব্দতা প্রমাণ করে দিচ্ছে, মা বাবা সান্তনা দিতে ব্যস্ত। সে পাথর হয়ে বসে আছে,ভাবছে !! নিজেই নিজের ভাগ্যের সাথে নোংরা খেলা খেলল!! বন্ধুত্ব সংযোগ টাও ঘুচে যাবে!! কারণ সবাই তো কলেজ,সেমিস্টার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়বে।। প্রেমিকা টাও ছেড়ে দেবে এবার! ব্যর্থ মানুষের সাথে কে থাকে।। রাতে নিজের ঘোরে শুয়ে গুমরে গুমরে কাদছে।। পরদিন এক আত্মীয়র বিয়ে ছিল বাবা মা র শত অনুরোধ নাকোচ করে সে ভরসা জুগিয়ে বাড়ীতে রয়ছে।। মনের জোর বাড়িয়েছে যে মরতে যাবে না!! বসে ভাবছে আরো পড়া উচিত ছিল কিন্তু হটাৎ , একটা ফোন তার দুঃখ এক নিমেষে লাখ গুন বাড়িয়ে দিল ; সে জানতে পারে পথ দুর্ঘটনায় তার বাবা মা র অবস্থা সঙ্কটজনক , তাদের ফোন থেকেই ছেলের নাম্বার পাওয়া গেছে।। ভাবছে এতো খারাপ কোনদিন হয়নি!!!.. সত্যিঅসিতের কপাল খারাপ ছিল বাবা মা দুজনেরই মৃত্যু ঘটে।। অন্তস্তি র কাজ মিটিয়ে বসে সে, ভাবছে হয়ত এবার বাবা মায়ের কাছে চলে গেলে সে শান্তি পাবে।। আত্মীয় রা এগিয়ে এলেও একার জীবন একার হাতে রাখতে চায় সে ; বাড়ীতে একা থাকা অবস্থায় সে চিৎকার করে কাদে আর ব...

মাধ্যম বিশ্বাসের আগে!!

Image
যা দেখতে পাচ্ছি এই বিষয়ে আলোকপাত করা বা দৃষ্টান্ত দেওয়া একান্ত কাম্য!!... কারণ, দুটো জিনিস সামাজিক বিয়ে নিয়ে নূন্যতম ধ্যান_ধারণা না থেকেও সিঁদুর পড়তে লাফানো আর অর্বাচীনদের **লিভিংর** বিরোধিতা।। তাই বিষয় ভিত্তিক লেখা হিসেবে নেবেন না, বোধগম্য করানোর চেষ্টা।। লোকসাহিত্য বা লোককথা একটু পড়লেই জানা যায়, সেই প্রাচীনকালে প্রচলিত ছিল** দাসব্যবস্থা**..মানে??... কিছুই না ; দুটি গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে সংঘর্ষ...অতঃপর, যে গোষ্ঠী পরাজিত হত তারা অপর গোষ্ঠীর কাছে "আনুগত্য" প্রদর্শন করত।। এখানেই শেষ নয়!!!!... যদি পরাজিত গোষ্ঠীতে কোনো মহিলা থাকতো তাহলে তার কপালে তপ্ত লৌহ দন্ডের দাগ বসানো হত, ফলে তার কপালের মাংস পুড়ে লাল রঙের গর্ত মতন আকার ধারণ করতো।।এছাড়াও, তাদের হাতে লোহার বেড় পড়ানো হত, যাতে তারা পালাতে না পারে।। এইসবের আধুনিকতম সংস্করণ হিসেবে সিঁদুর ও শাখা_পলা সামাজিক বিয়ের মূল আকর্ষন।। অপরদিকে, শর্তবিহীন একে অপরের সঙ্গে জীবনযাপন করছে এমন অবস্থা হলো **লিভিং**।। যার মত, যার ইচ্ছা তার কাছেই থাকবে। কিন্তু, অর্বাচীন দের উদ্দেশে বলা; যারা বলে শাখা_সিঁদুর পড়বে না এ কেমন...

এক পলকের একটু দেখা!!

ভালোবাসার একাল_সকাল হয়না ঠিকই।কিন্তু সেখানেও বিবর্তনবাদ থাবা বসিয়েছে। গভীরতা মাপলে দেখতে পাবে ; এখন অনলাইনে একটা প্রতিক্রিয়া র অপেক্ষায় সময় কেটে যায় আগে কখন কোচিং দিয়ে বেরোবে, কোন গলি ধরবে এই করতেই শেষ হয়ে যেত।। অতঃপর, স্বল্প সঞ্চয়ে sms ব্যালান্স ভরিয়ে রোমিওরা কাজ চালাতে,সেখানেও এসে গেল দৈনিক তিন ঘণ্টা কথা বলার সুযোগ। public place মানেই মার_মার, কাট_কাট ; ছেলেরা মুখে রুমাল , মেয়েরা ওরনা দিয়ে বদন চাপা দিত।। আর এখন সোশাল মিডিয়া তে ছবি ছাড়া হয়ে যাচ্ছে , সঙ্গে "in a relationship with angel Priya" তো রয়ছেই।। গঙ্গার ধারে বাদাম খাওয়া আর ভিক্টোরিয়া তে কপোত_কপোতীদের ভীড় আজ সাউথ সিটি আর সিটি সেন্টার এর চাপে হারিয়ে যাচ্ছে।। হাত ধরতে লজ্জা পাওয়া মানুষ জন ; আজ flavour পছন্দ করতে ব্যস্ত !!!... বেশি সময় আগেকার কথা নয় , ১৯৮০_৮৫ সালের কথা কলেজের গেটে পাঞ্জাবী আর সালোয়ার কামিজ পরিধান কারি মাথার ভিড় জমত।। পরিবর্তন টা আবছা এখনো ত্রিকোণ প্রেমের দেশে ; আগে এক ফুল দো মালি ছিল, আর এখন বাগান ভর্তি মালির মাঝে একটা ফুল।। বলা বাহুল্য ,তুলনার ঊর্ধ্বে উঠে ছোটো করলাম এ য...