মাধ্যম বিশ্বাসের আগে!!
যা দেখতে পাচ্ছি এই বিষয়ে আলোকপাত করা বা দৃষ্টান্ত দেওয়া একান্ত কাম্য!!... কারণ, দুটো জিনিস সামাজিক বিয়ে নিয়ে নূন্যতম ধ্যান_ধারণা না থেকেও সিঁদুর পড়তে লাফানো আর অর্বাচীনদের **লিভিংর** বিরোধিতা।। তাই বিষয় ভিত্তিক লেখা হিসেবে নেবেন না, বোধগম্য করানোর চেষ্টা।।লোকসাহিত্য বা লোককথা একটু পড়লেই জানা যায়,
সেই প্রাচীনকালে প্রচলিত ছিল** দাসব্যবস্থা**..মানে??... কিছুই না ; দুটি গোষ্ঠী বা দলের মধ্যে সংঘর্ষ...অতঃপর, যে গোষ্ঠী পরাজিত হত তারা অপর গোষ্ঠীর কাছে "আনুগত্য" প্রদর্শন করত।।
এখানেই শেষ নয়!!!!... যদি পরাজিত গোষ্ঠীতে কোনো মহিলা থাকতো তাহলে তার কপালে তপ্ত লৌহ দন্ডের দাগ বসানো হত, ফলে তার কপালের মাংস পুড়ে লাল রঙের গর্ত মতন আকার ধারণ করতো।।এছাড়াও, তাদের হাতে লোহার বেড় পড়ানো হত, যাতে তারা পালাতে না পারে।।
এইসবের আধুনিকতম সংস্করণ হিসেবে সিঁদুর ও শাখা_পলা সামাজিক বিয়ের মূল আকর্ষন।।
অপরদিকে, শর্তবিহীন একে অপরের সঙ্গে জীবনযাপন করছে এমন অবস্থা হলো **লিভিং**।।
যার মত, যার ইচ্ছা তার কাছেই থাকবে। কিন্তু, অর্বাচীন দের উদ্দেশে বলা; যারা বলে শাখা_সিঁদুর পড়বে না এ কেমন বৌমা????... এ কোন যুগ এলো????... না জেনে বুঝে সমাজের নামে আর কতদিন চালাবেন;!!?????...
সঙ্গিনী বানানো আর দাসী আনা এক হলো??..
তাহলে সত্যি কাজের মেয়ে প্রয়োজন।।কারণ, বউ আর সঙ্গিনী সমগোত্রীয় , একই মুদ্রার দুই পিঠ।। কেউ সম্পর্কের বাঁধনে জড়ায় কেউ সাথ পাকে বিশ্বাসী।।
[সমাজবিরোধী তকমা দিতে চাইলে জোর গলায় বলবে, মাথা পেতে নেব]
Comments
Post a Comment