চলচ্চিত্র সমালোচনা - জয় বাবা ফেলুনাথ
- Get link
- X
- Other Apps
চলচ্চিত্র - জয় বাবা ফেলুনাথ
পরিচালক - সত্যজিৎ রায়,
প্রযোজনা - আর. ডি. বনশল,
প্রকাশ - ১৯৭৯, ৫ জানুয়ারি
দৈর্ঘ্য - ১১২ মিনিট
আয় - ৭ লাখ
ব্যয় - ৬ লাখ
(তথ্যগুলি উইকিপিডিয়া থেকে গৃহীত)
কাহিনী সংক্ষেপ
এই কাহিনীর সূত্রপাত হয় কাশী -বেনারস ভ্রমণরত তিনসঙ্গী ফেলুদা - তোপসে - জটায়ু কে নিয়ে।মূলত, ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রাক- শারদীয়া মুহূর্তে তারা উপস্থিত হলেও "ফেলুদা" কে এখানেও ধাবা করেছে রহস্য। তাই লালমোহন বাবুর মন যে রোমাঞ্চের জন্য দর কষাকষি করছিলেন তা কাহিনীর বাকিতেও দেখায় যায়। বেনারসের ঘোষাল বাড়ি তখনও বনেদিয়ানা পূর্ণ ; সেখানে একটি চুরির ঘটনা এবং সেই চুরি কে কেন্দ্র করে ফেলুদার পুনরায় পেশাদারী হয়ে ওঠা। একই সঙ্গে রোমাঞ্চ ধারা ও চমকের অপূর্ব মিলন গাথা গঠিত হয়ছে। অতপর, লালমোহন বাবুর ঔপন্যাসিক মানসের বিকাশ এবং বিশিষ্ট ভাবনার জোর ও ফুটে উঠেছে চিত্র মধ্যে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য
• বহু দৃশ্যেই সুন্দরভাবে এক শিহরণ জাগানো পরিস্থিতি রয়েছে।
• কাহিনীর মধ্যে উপকাহিনী এবং রহস্যের জটিলময়তা দর্শকদের মননে টানটান উত্তেজনা এবং শেষ মুহূর্ত অবধি টানা দেখার পক্ষে উপযোগী।
• খলনায়কের চরিত্র বিশ্লেষণে ভূয়সী প্রশংসা করা চলে; কারণ তার রূঢ় মেজাজ, কুটনৈতিক বিচার বুদ্ধি এবং কাহিনী উপযোগী ভাব ভঙ্গি তার চরিত্র কে বেশ জীবন্ত করে তুলেছে।
• পার্শ্ব এবং অপ্রধান চরিত্র গুলোর সামগ্রিক এবং আকস্মিক প্রভাব ও চিত্রকে বেশ সজীব করে তুলেছে।
• প্রধানত, ফেলুদার পজিটিভ ভূমিকা যা পূর্বের মতন ই বেশ শান্ত - কল্পনাপ্রবণ - ভাবুক - রসিক এবং সর্বোপরি যথোপযুক্ত।
দোষ/ত্রুটি
• চুরির মাঝেই যে , "চোরের উপর বাটপারি" ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে তাতে রহস্যের মেঘ বেশ গভীর এবং তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে সক্ষম।
• কিছু সংলাপে বাস্তবায়নের অভাব বোধ।
• তোপসে- অর্থাৎ গোয়েন্দার সহযোগী 'লেজুর' চরিত্রটির নির্মাণ কিছুটা ক্ষুন্ন হয়েছে ; আংশিক উন্নীত করার প্রয়োজন ছিল।
ব্যক্তিগত অভিমত
অনেক পরিণত বয়সে ইউটিউবে প্রথম এটি দেখলাম। এই জাতীয় বিষয়ের দর্শক হিসেবে আমি বেশ আগ্রহী, তাই জন্য রোমাঞ্চ আর অনুভবময়তা আমাকে অধিগ্রহণ করেছিল তাতে আমি পরিপাটি ভাবে রসাস্বাদনে সক্ষম।
স্কেল
চলচ্চিত্র মূল্যায়নে দশের মধ্যে আট নম্বর প্রাপ্য।(৮/১০)
প্রযোজনা - আর. ডি. বনশল,
প্রকাশ - ১৯৭৯, ৫ জানুয়ারি
দৈর্ঘ্য - ১১২ মিনিট
আয় - ৭ লাখ
ব্যয় - ৬ লাখ
(তথ্যগুলি উইকিপিডিয়া থেকে গৃহীত)
কাহিনী সংক্ষেপ
এই কাহিনীর সূত্রপাত হয় কাশী -বেনারস ভ্রমণরত তিনসঙ্গী ফেলুদা - তোপসে - জটায়ু কে নিয়ে।মূলত, ভ্রমণের উদ্দেশ্যে প্রাক- শারদীয়া মুহূর্তে তারা উপস্থিত হলেও "ফেলুদা" কে এখানেও ধাবা করেছে রহস্য। তাই লালমোহন বাবুর মন যে রোমাঞ্চের জন্য দর কষাকষি করছিলেন তা কাহিনীর বাকিতেও দেখায় যায়। বেনারসের ঘোষাল বাড়ি তখনও বনেদিয়ানা পূর্ণ ; সেখানে একটি চুরির ঘটনা এবং সেই চুরি কে কেন্দ্র করে ফেলুদার পুনরায় পেশাদারী হয়ে ওঠা। একই সঙ্গে রোমাঞ্চ ধারা ও চমকের অপূর্ব মিলন গাথা গঠিত হয়ছে। অতপর, লালমোহন বাবুর ঔপন্যাসিক মানসের বিকাশ এবং বিশিষ্ট ভাবনার জোর ও ফুটে উঠেছে চিত্র মধ্যে।
বিশেষ বৈশিষ্ট্য
• বহু দৃশ্যেই সুন্দরভাবে এক শিহরণ জাগানো পরিস্থিতি রয়েছে।
• কাহিনীর মধ্যে উপকাহিনী এবং রহস্যের জটিলময়তা দর্শকদের মননে টানটান উত্তেজনা এবং শেষ মুহূর্ত অবধি টানা দেখার পক্ষে উপযোগী।
• খলনায়কের চরিত্র বিশ্লেষণে ভূয়সী প্রশংসা করা চলে; কারণ তার রূঢ় মেজাজ, কুটনৈতিক বিচার বুদ্ধি এবং কাহিনী উপযোগী ভাব ভঙ্গি তার চরিত্র কে বেশ জীবন্ত করে তুলেছে।
• পার্শ্ব এবং অপ্রধান চরিত্র গুলোর সামগ্রিক এবং আকস্মিক প্রভাব ও চিত্রকে বেশ সজীব করে তুলেছে।
• প্রধানত, ফেলুদার পজিটিভ ভূমিকা যা পূর্বের মতন ই বেশ শান্ত - কল্পনাপ্রবণ - ভাবুক - রসিক এবং সর্বোপরি যথোপযুক্ত।
দোষ/ত্রুটি
• চুরির মাঝেই যে , "চোরের উপর বাটপারি" ঘটনার ইঙ্গিত রয়েছে তাতে রহস্যের মেঘ বেশ গভীর এবং তা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে সক্ষম।
• কিছু সংলাপে বাস্তবায়নের অভাব বোধ।
• তোপসে- অর্থাৎ গোয়েন্দার সহযোগী 'লেজুর' চরিত্রটির নির্মাণ কিছুটা ক্ষুন্ন হয়েছে ; আংশিক উন্নীত করার প্রয়োজন ছিল।
ব্যক্তিগত অভিমত
অনেক পরিণত বয়সে ইউটিউবে প্রথম এটি দেখলাম। এই জাতীয় বিষয়ের দর্শক হিসেবে আমি বেশ আগ্রহী, তাই জন্য রোমাঞ্চ আর অনুভবময়তা আমাকে অধিগ্রহণ করেছিল তাতে আমি পরিপাটি ভাবে রসাস্বাদনে সক্ষম।
স্কেল
চলচ্চিত্র মূল্যায়নে দশের মধ্যে আট নম্বর প্রাপ্য।(৮/১০)
- Get link
- X
- Other Apps
Comments
Post a Comment